শিক্ষায় বরাদ্দ : উচ্চ মুনাফার দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ
একটি রাষ্ট্রের মেরুদণ্ড যদি শিক্ষা হয়, তবে সেই মেরুদণ্ডের পুষ্টি জোগায় অর্থায়ন বা বাজেট। প্রতিবছর বাজেট ঘোষণার সময় আমাদের দেশে শিক্ষা খাতের বরাদ্দ নিয়ে তুমুল আলোচনা হয়। কিন্তু দিনশেষে প্রাপ্তির খাতাটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের তুলনায় বেশ অপূর্ণই থেকে যায়। আমরা আজকাল সেতু, মেট্রোরেল বা টানেলের মতো দৃশ্যমান ভৌত অবকাঠামোর উন্নয়ন দেখছি।
কর সংস্কৃতির সুদিনের স্বার্থে
বিদেশে যেমন কেউ গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছে, তাকে কোথাও থামতে হবে না। সে টোল দিয়েছে, কিন্তু রিসিটের জন্য তাকে ঘুরতে হচ্ছে না, আবার টোলের টাকা সরকারের কোষাগারে পৌঁছানো নিয়ে অনিশ্চয়তায় তাকে ভুগতে হচ্ছে না। কিংবা টোল স্টেশনের ইজারা নেওয়া নিয়ে গণ্ডগোলও নেই। গাড়ির মালিকদের চিপস সরবরাহ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে
দক্ষ কর্মী প্রেরণ ও জিরো মাইগ্রেশন কস্ট
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে রেমিট্যান্স দীর্ঘদিন ধরেই একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। কিন্তু প্রশ্ন হলো—এই রেমিট্যান্সকে কীভাবে টেকসইভাবে বহুগুণ বাড়ানো যায় এবং কীভাবে একে দেশের প্রধান অর্থনৈতিক চালিকাশক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব? বাস্তবতা হলো, এর কোনো শর্টকাট সমাধান নেই। বরং একটি সুস্পষ্ট জাতীয় কৌশল প্রয়োজন, যার ভিত্তি হবে দুটি বিষয়—দক্ষ কর্মী প্রেরণ এবং শূন্য মাইগ্রেশন
আক্রান্ত ইরান ও সভ্যতার সংকট
আধুনিক বিশ্বব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক আইন, জাতিসংঘ সনদ ও মানবাধিকারের নীতিকে সামনে রেখে নিজেকে এক ‘সভ্যতার অগ্রযাত্রার ধারক’ হিসেবে উপস্থাপন করে আসছে। ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত জাতিসংঘের ঘোষিত লক্ষ্য ছিল শক্তির বদলে ন্যায়ের ভিত্তিতে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা, সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান এবং বিশ্বব্যাপী রাষ্ট্রীয় আগ্রাসন রোধ। একইভাবে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ আন্তর্জাতিক শান্তি ও
ইন্ডাকশন নাকি ইনফ্রারেড—কোনটি আপনার জন্য সেরা?
গ্যাসের দাম বৃদ্ধি এবং সিলিন্ডারের ঝক্কি এড়াতে এখন শহর থেকে গ্রাম—সবখানেই ইলেকট্রিক চুলার ব্যবহার বাড়ছে। বাজারে মূলত দুই ধরনের চুলা পাওয়া যায়: ইন্ডাকশন এবং ইনফ্রারেড। যদিও দেখতে দুটিই প্রায় একই রকম, কিন্তু এদের কাজ করার পদ্ধতি এবং সুবিধায় রয়েছে বিশাল পার্থক্য। ১. কাজের পদ্ধতি: প্রযুক্তি যখন আলাদা ২. পাত্রের ব্যবহার:



