কামরুজ্জামান, লংগদু: লংগদুতে চাকমা সম্প্রদায়ের লোকজন বিভিন্ন আয়োজনের মাধ্যমে পালন করছে বিজু উৎসব, পুরোনো বছরকে বিদায় জানাতে আর নতুন বছরকে বরণ করে নিতে চাকমা সম্প্রদায়ের তিন দিনব্যাপী বিজু উৎসব আজ(১২)এপ্রিল রবিবার শুরু হয়েছে।পাশাপাশি শুরু হয়েছে তঞ্চঙ্গ্যাদের বিষু উৎসব। উৎসবের প্রথম দিনে নদী, ছড়া, ঝরনাসহ বিভিন্ন স্থানে ফুল ভাসিয়ে সুন্দর পৃথিবীর জন্য মঙ্গল কামনা করেছেন নারী, পুরুষ আর শিশুরা। নারীরা ঐতিহ্যবাহী পোশাক পিনন-হাদি ও পুরুষেরা ধুতি পরে উৎসবে যোগ দেন,পাহাড়ের বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর বাসিন্দারা আগামী কয়েক দিন নানা নামে বর্ষবরণ ও বর্ষবিদায়ের উৎসব উদ্যাপন করবেন।
সকাল সাড়ে ৬টার দিকে কাপ্তাই হ্রদের অংশ ফুল নিবেদন উৎসবের আয়োজন করে,লংগদু উপজেলা সদরের র্যালির আয়োজন করে । লংগদু ঝরনা টিলা এলাকায়ও আয়োজন করা হয় পৃথক উৎসবের। এ সময় কাপ্তাই হ্রদে কয়েকশ মানুষ ফুল নিবেদন করেন।
এতে পার্বত্যবাসীর উৎসবমুখরতা বেড়েছে। তিন পার্বত্য জেলায় বসবাসরত ১১টি পাহাড়ি জাতিগোষ্ঠীর।
পার্বত্য চট্টগ্রামে উৎসবের আমেজে শুরু হয়েছে চাকমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী বিঝু (বৈসাবি) উৎসব। ১২ এপ্রিল ভোরে নদীতে ফুল ভাসানোর (ফুল বিঝু) মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়, যা ১৩ এপ্রিল মূল বিঝু এবং ১৪ এপ্রিল গজ্যাপজ্যা বা নতুন বছর পর্যন্ত চলবে । রাঙামাটি, লংগদু উপজেলা নানা আয়োজনে মেতেছে পাহাড়ি জনপদ
ফুল বিঝু (১২ এপ্রিল): ভোরে নদীতে ফুল ভাসিয়ে পুরোনো বছরের দুঃখ ও গ্লানি মুছে ফেলে নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয়।
মূল বিঝু (১৩ এপ্রিল): এদিন ঘরবাড়ি সাজানো, ঐতিহ্যবাহী ‘পাচন’ (মিশ্র সবজি) রান্না এবং ঘরে ঘরে অতিথি আপ্যায়ন করা হয় [৩]।
গজ্যাপজ্যা বা নুঅ বঝর (১৪ এপ্রিল): বর্ষবরণের দিন। এদিন বিশেষ খাবারের আয়োজন এবং বয়স্কদের আর্শীবাদ নেওয়া হয়।
অন্যান্য কার্যক্রম: পাহাড়ের বিভিন্ন স্থানে এই উপলক্ষ্যে মেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বিজু, সাংগ্রাই, বিষু, চাংক্রান ও বিহু উৎসবের উদ্বোধন করা হয়েছে



