নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬
আগামী মাসে অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই (১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) দেশজুড়ে যে ঐতিহাসিক গণভোট হতে যাচ্ছে, সে বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরিতে কোমর বেঁধে নামছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। দেশের সকল সরকারি-বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় এই গণভোটের বিষয়ে ব্যাপক প্রচারণার নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এবং মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।
‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’-এ বর্ণিত রাষ্ট্র সংস্কারের মৌলিক প্রস্তাবগুলোর ওপর জনগণের রায় নিতে এই গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে।
সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও দৃশ্যমান স্থানে গণভোটের নির্ধারিত ‘লোগো’ সংবলিত ব্যানার ও ফেস্টুন প্রদর্শন করতে হবে। ব্যানারে ‘পরিবর্তনের চাবি এবার আপনার হাতে’ স্লোগানটি ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মাউশির নির্দেশনা অনুযায়ী, নির্বাচনের পূর্ব পর্যন্ত সকল সরকারি যোগাযোগ যেমন—চিঠি, প্রজ্ঞাপন, আদেশ ও পরিপত্রে গণভোটের লোগো ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে গণভোটের বার্তা প্রতিটি পরিবারের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। এ লক্ষ্যে বিশেষ ‘অভিভাবক সমাবেশ’ আয়োজনের কথা বলা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব নোটিশ বোর্ডের পাশাপাশি তাদের ফেসবুক পেজ বা অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এই প্রচার কার্যক্রম চালাতে হবে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনার আলোকে জারি করা এই চিঠিতে বলা হয়েছে, ভোটারদের মধ্যে গণভোটের গুরুত্ব এবং ভোট দেওয়ার পদ্ধতি সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা তৈরি করাই এই প্রচারণার মূল উদ্দেশ্য। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র কাঠামোর যে আমূল পরিবর্তনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, তাতে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকার এই ব্যাপক জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি এই গণভোটের জন্য ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ ব্যালটে ভোট গ্রহণ করা হবে।



