ঢাকা | ১১ জানুয়ারি, ২০২৬ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হলফনামায় তাঁর সম্পদের মিথ্যা তথ্য প্রদান করেছিলেন বলে দাবি করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন।
আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রদান করেন।
দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনের সময় শেখ হাসিনা তাঁর প্রকৃত সম্পদের পরিমাণ গোপন করে হলফনামায় ভুল বা মিথ্যা তথ্য দিয়েছিলেন।
মোহাম্মদ আবদুল মোমেন উল্লেখ করেন, “তৎকালীন সময়ে যদি এই হলফনামা সঠিকভাবে খতিয়ে দেখা হতো এবং তদন্ত করা হতো, তবে আইন অনুযায়ী তিনি (শেখ হাসিনা) নির্বাচনে অংশ নেওয়ার যোগ্যতা হারাতেন।”সে সময় বিষয়টি কেন আড়ালে ছিল এবং এর পেছনে কোনো যোগসাজশ ছিল কি না, তা নিয়ে বর্তমান কমিশন কাজ করছে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।
২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন বা পরবর্তী শাসনব্যবস্থার অধীনে গত কয়েক মাসে আওয়ামী লীগ আমলের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে নানা দুর্নীতির তদন্ত শুরু হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় শেখ হাসিনার ২০০৮ সালের হলফনামা নিয়ে এই নতুন অভিযোগ সামনে এলো।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি প্রমাণিত হয় যে কোনো প্রার্থী হলফনামায় ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন, তবে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (RPO) অনুযায়ী তার প্রার্থিতা বাতিল হওয়ার বিধান রয়েছে। তবে দীর্ঘ সময় পার হওয়ার পর এখন এই তথ্যের ভিত্তিতে আইনি প্রক্রিয়া কোন দিকে মোড় নেয়, সেটিই দেখার বিষয়।



