​ভোলার বোরহানউদ্দিনে সাবেক ইউপি সদস্য ও শ্রমিক দল নেতা সাফিজল মাতাব্বরের এক ডাকে ধানের শীষের পক্ষে হাজারো মানুষের ঢল নেমেছে। তাঁর ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা ও জাদুকরী নেতৃত্বের কারণে কাচিয়া ইউনিয়নে বিএনপির অবস্থান এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে আজ ৪ ফেব্রুয়ারি ৭ নং ওয়ার্ডের ‘কাদেরেগো বাড়ি’ প্রাঙ্গণে উঠান বৈঠকটি এক বিশাল জনসভায় রূপ নেয়।

মাঠপর্যায়ে এই নেতার রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও সাধারণ মানুষের সাথে তাঁর নিবিড় সম্পর্কের কারণে ধানের শীষকে কেন্দ্র করে এলাকায় অভাবনীয় উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত একহাজার ভোটারকে এক সুতোয় গেঁথে সাফিজল মাতাব্বর প্রমাণ করেছেন যে, এলাকার মানুষের কাছে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা আকাশচুম্বী। স্থানীয়রা তাঁকে ভালোবেসে ‘ম্যাজিকম্যান’ হিসেবেই গণ্য করেন।

সাফিজল মাতাব্বরের আহ্বানে সাড়া দিয়ে সাধারণ ভোটাররা অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, “১২ তারিখ সকালে ভোট দিয়ে তারপর আমরা নাস্তা করব এবং ভোট দিয়েই তবে ঘরে ফিরব।” তারা শপথ নিয়েছেন যে, সাফিজল মাতাব্বরের নির্দেশনায় তারা পাড়া-প্রতিবেশীদের সঙ্গে নিয়ে ধানের শীষের পক্ষে ভোটের জোয়ার তুলবেন এবং হাফিজ ইব্রাহিমকে বিপুল ব্যবধানে বিজয়ী করবেন।

বৈঠকে সাফিজল মাতাব্বর আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, “দীর্ঘ দশটি বছর আপনাদের পাশে থেকে সেবা করেছি। আপনাদের সুখ-দুঃখকে নিজের মনে করেছি। আজ আপনাদের কাছে আমার বিশেষ অনুরোধ,ভোলা-২ আসনে ধানের শীষের কাণ্ডারি হাফিজ ইব্রাহিমকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করুন।” তাঁর এই আহ্বানে উপস্থিত জনতা একযোগে হাত তুলে পূর্ণ সমর্থন জানান।

এ সময় স্থানীয় ভোটাররা হাফিজ ইব্রাহিমের বিজয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করে তাদের কিছু মৌলিক চাহিদার কথা তুলে ধরেন। তারা সাফিজল মাতাব্বরের মাধ্যমে এলাকায় বিশুদ্ধ পানির জন্য একটি নলকূপ (টিউবওয়েল) এবং যাতায়াতের জন্য একটি কালভার্ট নির্মাণের দাবি জানান। ভোটারদের বিশ্বাস,হাফিজ ইব্রাহিম বিজয়ী হয়ে এলাকার এই দাবিগুলো দ্রুত পূরণ করবেন।

কাচিয়ার সাধারণ মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত জাগরণ এবং ‘আগে ভোট, পরে খাওয়া’এমন অনড় অবস্থানের নেপথ্যে মূল কারিগর হিসেবে কাজ করছেন সাফিজল মাতাব্বর। সচেতন মহলের মতে, তাঁর এই দক্ষ নেতৃত্ব ধানের শীষের বিজয়কে এখন সুনিশ্চিত করে তুলেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts