ওয়াশিংটন: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিতে চায় এবং যেভাবেই হোক এটি অর্জন করবে। গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি, ২০২৬) তেল শিল্পের নির্বাহীদের সাথে এক বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন।
ট্রাম্পের মতে, যদি যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ না নেয়, তবে রাশিয়া বা চীন দ্বীপটি দখল করে নেবে। তিনি বলেন, “আমরা রাশিয়া বা চীনকে প্রতিবেশী হিসেবে দেখতে চাই না।”
গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ট্রাম্প বলেন, “আমি সমঝোতার মাধ্যমে সহজ উপায়ে এটি করতে চাই। কিন্তু যদি সহজ উপায়ে কাজ না হয়, তবে আমরা কঠিন পথ বেছে নেব (the hard way)।”
গ্রিনল্যান্ডে ন্যাটোর আওতায় মার্কিন সামরিক সুবিধা থাকা সত্ত্বেও কেন এর পূর্ণ মালিকানা প্রয়োজন—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, “লিজ নেওয়া জিনিসের প্রতিরক্ষা আর মালিকানাধীন জিনিসের প্রতিরক্ষা এক নয়। আমরা যখন এটার মালিক হব, তখনই আমরা একে সঠিকভাবে রক্ষা করতে পারব।”
ইতিপূর্বে হোয়াইট হাউস থেকেও জানানো হয়েছে যে, কমান্ডার-ইন-চিফ হিসেবে ট্রাম্পের হাতে সামরিক শক্তি ব্যবহারের বিকল্প সবসময়ই খোলা রয়েছে। ট্রাম্প নিজেও মে ২০২৫-এ এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলপ্রয়োগের বিষয়টি উড়িয়ে দেননি।
বর্তমানে গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। ১৯৫১ সালের প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে দ্বীপটির নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে। তবে ট্রাম্প প্রশাসন এখন এই সম্পর্ককে ছাপিয়ে দ্বীপটিকে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত করতে মরিয়া।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আরও যোগ করেছেন যে, তারা গ্রিনল্যান্ড নিয়ে বড় কিছু করতে যাচ্ছেন, “সেটি গ্রিনল্যান্ডবাসী পছন্দ করুক বা না করুক।”



